বিকাল ৩:৩২ | সোমবার | ২২শে জুলাই, ২০১৯ ইং | ৭ই শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

প্রিন্সেস ডায়ানার ‘হারানো মেয়ে’

জনমত ডেস্ক: ১৯৯৭ সালের ৩১ আগস্ট সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন প্রিন্সেস ডায়ানা। আর ঠিক সেই সময়টায় নিজের ঘরে বসে কাঁদছিল নয় বছরের অবন্তী রেড্ডি। ডায়ানার মৃত্যুতে তাঁর কাছের মানুষেরা যতটা কষ্ট পেয়েছিলেন, ঠিক ততটাই ভেঙে পড়েছিল অবন্তী। ডায়ানার সঙ্গে যে তাঁর ছিল ‘মা-মেয়ের’ সম্পর্ক!

ইয়াহু নিউজের খবরে বলা হয়েছে, ১৯৯২ সালে প্রিন্স চার্লসের সঙ্গে ভারত সফরে গিয়েছিলেন প্রিন্সেস ডায়ানা। সফরের একপর্যায়ে হায়দরাবাদে গিয়েছিলেন তাঁরা। সেই সময়ই ডায়ানার সঙ্গে দেখা হয় ছোট্ট অবন্তীর। তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র চার বছর। প্রিন্সেসের সম্মানে ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে নেচেছিল সে। নাচ শেষে তাঁর জায়গা হয়েছিল ডায়ানার কোলে। তখন অবন্তীকে ‘মেয়ে’ বলে সম্বোধন করেছিলেন ডায়ানা।

সম্প্রতি শৈশবের সেই স্মৃতি নিয়ে কথা বলেছেন অবন্তী রেড্ডি। ২৮ বছরের অবন্তী এখন স্কুলশিক্ষক। তিনি বলেন, ‘আমার বয়স সবচেয়ে কম ছিল। ডায়ানা আমাকে মাঠে বসে থাকতে দেখেছিলেন। এরপর তিনি আমাকে কোলে তুলে নিয়ে মঞ্চে ওঠেন। আমাকে হাঁটুর ওপর বসিয়েছিলেন তিনি।’

তখন বেশ কথাও হয়েছিল অবন্তী ও ডায়ানার। অবন্তী বলেন, ‘আমার খুব সর্দি হয়েছিল। তিনি নিজের রুমাল দিয়ে আমার নাক মুছে দিয়েছিলেন। সারাক্ষণ তিনি আমাকে সঙ্গে সঙ্গে রেখেছিলেন। যখন তাঁর যাওয়ার সময় হয়েছিল, তখন ডায়ানা বলেছিলেন, আমি তোমাকে ছেড়ে যেতে চাই না। আমার কোনো মেয়ে নেই, তাই আজ থেকে তুমি আমার মেয়ে।’

ভারত থেকে চলে যাওয়ার পরও ‘মেয়েকে’ নিয়মিত চিঠি লিখতেন ডায়ানা। মা-মেয়ের কথা হতো এভাবেই। প্রথম দেখার পাঁচ বছর পর আবার পুনর্মিলন হওয়ার কথা ছিল এ দুজনার। কিন্তু মৃত্যু তা হতে দেয়নি।

অবন্তী বলেন, ‘দ্বিতীয়বার তাঁর সঙ্গে দেখা হওয়ার আশায় আমি শিহরিত ছিলাম। ইউরোপের বেশ কয়েকটি স্কুলে অনুষ্ঠান করেছিলাম আমরা। সফরের শেষের দিকে তাঁর সঙ্গে দেখা হওয়ার কথা ছিল আমাদের। কিন্তু সেটি আর কখনো হয়নি।’

ডায়ানার লাবণ্য ও উদারতায় এখনো মুগ্ধ অবন্তী। তিনি বলেন, ‘বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি বুঝতে শুরু করেছি যে প্রিন্সেস ডায়ানা কে ছিলেন।’

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» তুরাগে পড়ে যাওয়া ট্যাক্সিক্যাবের সন্ধান মেলেনি, উদ্ধার কাজ চলছে

» উত্তরায় কিশোর গ্যাং গ্রুপের ১৪ সদস্য আটক

» বাংলাদেশে অফিস চালু করছে ফেসবুক

» উচ্চমাধ্যমিকের ফল প্রকাশ: পাসের হার ৭৩.৯৩%

» বিয়ের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নববধূকে তালাক যৌতুকে মোটরসাইকেল না পেয়ে

» ট্রাফিক সার্জেন্ট কিবরিয়াকে বাঁচানো গেল না

» রাজধানীতে বাড়ছে কিশোর গ্যাং কালচার

» পৃথিবীর সবচেয়ে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী এসি ও ফ্রিজ আবিষ্কার করলেন টাঙ্গাইলের শরীফুল

» ফাইনাল রাউন্ডে ওঠার জন্য যৌন সম্পর্ক!

» উত্তরায় যায়যায়দিন-এর ১৪তম বর্ষ পূর্তি উদযাপন

» তুরাগ হতে কিশোর গ্যাং গ্রুপের ১১ সদস্যকে অস্ত্রসহ গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১

» তুরাগের ১৭শ পিছ ইয়াবাসহ আটক ৪

» বরুড়ার পৌর কাউন্সিলরের বাড়িতে হামলা ভাংচুর

» দশমিনা উপজেলায় সর্বপ্রথম মানবতার দেয়াল এর শুভ উদ্ভোধন

» কাজী ফজলুল হকের ৭০তম জন্মদিন পালন

আমাদের সঙ্গী হোন

যোগাযোগ

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় –

বাসা#৪৯, রোড#০৮, তুরাগ, ঢাকা।
বার্তা কক্ষ : 01781804141
ইমেইল : timesofbengali@gmail.com

 

© এ.আর খান মিডিয়া ভিশন এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান

      সর্বস্বত্ব স্বাত্বাধিকার টাইমস্ অফ বেঙ্গলী .কম

কারিগরি সহযোগিতায় এ.আর খান হোস্ট

সোমবার, ৭ই শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৩:৩২ ,

প্রিন্সেস ডায়ানার ‘হারানো মেয়ে’

জনমত ডেস্ক: ১৯৯৭ সালের ৩১ আগস্ট সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন প্রিন্সেস ডায়ানা। আর ঠিক সেই সময়টায় নিজের ঘরে বসে কাঁদছিল নয় বছরের অবন্তী রেড্ডি। ডায়ানার মৃত্যুতে তাঁর কাছের মানুষেরা যতটা কষ্ট পেয়েছিলেন, ঠিক ততটাই ভেঙে পড়েছিল অবন্তী। ডায়ানার সঙ্গে যে তাঁর ছিল ‘মা-মেয়ের’ সম্পর্ক!

ইয়াহু নিউজের খবরে বলা হয়েছে, ১৯৯২ সালে প্রিন্স চার্লসের সঙ্গে ভারত সফরে গিয়েছিলেন প্রিন্সেস ডায়ানা। সফরের একপর্যায়ে হায়দরাবাদে গিয়েছিলেন তাঁরা। সেই সময়ই ডায়ানার সঙ্গে দেখা হয় ছোট্ট অবন্তীর। তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র চার বছর। প্রিন্সেসের সম্মানে ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে নেচেছিল সে। নাচ শেষে তাঁর জায়গা হয়েছিল ডায়ানার কোলে। তখন অবন্তীকে ‘মেয়ে’ বলে সম্বোধন করেছিলেন ডায়ানা।

সম্প্রতি শৈশবের সেই স্মৃতি নিয়ে কথা বলেছেন অবন্তী রেড্ডি। ২৮ বছরের অবন্তী এখন স্কুলশিক্ষক। তিনি বলেন, ‘আমার বয়স সবচেয়ে কম ছিল। ডায়ানা আমাকে মাঠে বসে থাকতে দেখেছিলেন। এরপর তিনি আমাকে কোলে তুলে নিয়ে মঞ্চে ওঠেন। আমাকে হাঁটুর ওপর বসিয়েছিলেন তিনি।’

তখন বেশ কথাও হয়েছিল অবন্তী ও ডায়ানার। অবন্তী বলেন, ‘আমার খুব সর্দি হয়েছিল। তিনি নিজের রুমাল দিয়ে আমার নাক মুছে দিয়েছিলেন। সারাক্ষণ তিনি আমাকে সঙ্গে সঙ্গে রেখেছিলেন। যখন তাঁর যাওয়ার সময় হয়েছিল, তখন ডায়ানা বলেছিলেন, আমি তোমাকে ছেড়ে যেতে চাই না। আমার কোনো মেয়ে নেই, তাই আজ থেকে তুমি আমার মেয়ে।’

ভারত থেকে চলে যাওয়ার পরও ‘মেয়েকে’ নিয়মিত চিঠি লিখতেন ডায়ানা। মা-মেয়ের কথা হতো এভাবেই। প্রথম দেখার পাঁচ বছর পর আবার পুনর্মিলন হওয়ার কথা ছিল এ দুজনার। কিন্তু মৃত্যু তা হতে দেয়নি।

অবন্তী বলেন, ‘দ্বিতীয়বার তাঁর সঙ্গে দেখা হওয়ার আশায় আমি শিহরিত ছিলাম। ইউরোপের বেশ কয়েকটি স্কুলে অনুষ্ঠান করেছিলাম আমরা। সফরের শেষের দিকে তাঁর সঙ্গে দেখা হওয়ার কথা ছিল আমাদের। কিন্তু সেটি আর কখনো হয়নি।’

ডায়ানার লাবণ্য ও উদারতায় এখনো মুগ্ধ অবন্তী। তিনি বলেন, ‘বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি বুঝতে শুরু করেছি যে প্রিন্সেস ডায়ানা কে ছিলেন।’

সর্বশেষ খবর



এ বিভাগের অন্যান্য খবর



আমাদের সঙ্গী হোন

যোগাযোগ

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় –

বাসা#৪৯, রোড#০৮, তুরাগ, ঢাকা।
বার্তা কক্ষ : 01781804141
ইমেইল : timesofbengali@gmail.com

 

© এ.আর খান মিডিয়া ভিশন এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান

      সর্বস্বত্ব স্বাত্বাধিকার টাইমস্ অফ বেঙ্গলী .কম

কারিগরি সহযোগিতায় এ.আর খান হোস্ট