বিকাল ৪:০৪ | সোমবার | ২২শে জুলাই, ২০১৯ ইং | ৭ই শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

শুল্ক প্রত্যাহারের আশায় ছয় দিন ধরে চাল খালাস বন্ধ

শুল্ক প্রত্যাহার-সংক্রান্ত খবরে বেনাপোল স্থলবন্দরে চাল আমদানি ও খালাস বন্ধ রেখেছেন আমদানিকারকরা। গত ছয় দিন ধরে চাল খালাস না করে এই স্থলবন্দরের ভেতর পড়ে আছে প্রায় ৩১০টি ট্রাক।

দেশের বাজারে চালের দাম স্বাভাবিক রাখতে ও দ্রুত চালের মজুদ বাড়াতে চাল আমদানিতে পুরোপুরি শুল্ক প্রত্যাহারের বিষয়ে খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে চিঠি দেওয়া হয়। গত ৭ আগস্ট মিডিয়ায় এমন খবর প্রকাশের পর থেকেই বিন্দর থেকে চাল খালাস বন্ধ রেখেছেন আমদানিকারকরা।

চাল আমদানিতে শুল্কহার যখন ২৮ ভাগ ছিল, তখন বেনাপোল বন্দর দিয়ে চালের আমদানি প্রায় বন্ধ ছিল। গত ২০ জুন চাল আমদানিতে শুল্কহার কমিয়ে ১০ ভাগ নির্ধারণ করার পর বন্দর দিয়ে চালের আমদানি বাড়ে। বর্তমানে বন্দর দিয়ে প্রতিদিন ১০০ ট্রাক চাল আমদানি হচ্ছে।

কিন্তু গত কদিন ধরে চাল আমদানি কিংবা আমদানিকৃত চাল খালাস করছেন না আমদানিকারকরা। বেনাপোল বন্দরের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট আ. খালেক জানান, আমদানিকারকরা ট্রাকগুলো থেকে চাল খালাস না নিয়ে শুল্ক প্রত্যাহার-সংক্রান্ত খবরের বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছেন।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন জানান, দেশের বাজারে চালের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সরকার চাল আমদানিতে আরোপিত শুল্ক প্রত্যাহার করে নেবে এমন আলোচনা চলছে গত কয়েক দিন ধরে। এর ওপর গত ৭ আগস্ট সোমবার এ-সংক্রান্ত খবর পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ায় বেনাপোল বন্দরের আমদানিকারকরা ভারত থেকে আমদানিকৃত চাল খালাস করছেন না। কারণ সরকার চাল আমদানির শুল্ক প্রত্যাহার করে নিলে তারা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। বন্দরে তিন শতাধিক চালের ট্রাক আটকা পড়ে আছে।

এ ছাড়া শুল্ক প্রত্যাহারের খবরে বন্দর দিয়ে চালের আমদানি কমিয়ে দিয়েছেন আমদানিকারকরা। এর ওপর আবার গত বুধবারে চাল আমদানিতে শুল্কহার ১০ ভাগ থেকে কমিয়ে ৫ ভাগ করতে মন্ত্রিসভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে খবর প্রকাশিত হয়। কিন্তু এর কোনো কাগজপত্র বা আদেশের কপি কাস্টমসে আসেনি। এতে করে আমদানিকারকরা দ্বিধায় আছেন।

বর্তমানে চাল আমদানিতে যে ১০ ভাগ শুল্ক আরোপ রয়েছে, তাতে প্রতি কেজি চালে তিন থেকে সাড়ে তিন টাকা শুল্ক দিতে হচ্ছে। যদি এই ১০ ভাগ শুল্ক প্রত্যাহার করে নেয়া হয়, তাহলে দেশের বাজারে চালের দাম কিছুটা কমতে পারে।

বেনাপোল বন্দরের উপ-পরিচালক রেজাউল ইসলাম জানান, আগে বেনাপোল বন্দর দিয়ে গড়ে প্রতিদিন ১০০ ট্রাক চাল আমদানি হতো এবং প্রতিদিনই সেসব চাল খালাস হয়ে যেত। কিন্তু চাল আমদানিতে আরোপিত ১০ ভাগ শুল্ক প্রত্যাহার করবে সরকার এমন খবর প্রকাশের পর গত সোমবার থেকেই এই বন্দর থেকে চাল খালাস করছেন না আমদানিকারকরা।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» তুরাগে পড়ে যাওয়া ট্যাক্সিক্যাবের সন্ধান মেলেনি, উদ্ধার কাজ চলছে

» উত্তরায় কিশোর গ্যাং গ্রুপের ১৪ সদস্য আটক

» বাংলাদেশে অফিস চালু করছে ফেসবুক

» উচ্চমাধ্যমিকের ফল প্রকাশ: পাসের হার ৭৩.৯৩%

» বিয়ের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নববধূকে তালাক যৌতুকে মোটরসাইকেল না পেয়ে

» ট্রাফিক সার্জেন্ট কিবরিয়াকে বাঁচানো গেল না

» রাজধানীতে বাড়ছে কিশোর গ্যাং কালচার

» পৃথিবীর সবচেয়ে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী এসি ও ফ্রিজ আবিষ্কার করলেন টাঙ্গাইলের শরীফুল

» ফাইনাল রাউন্ডে ওঠার জন্য যৌন সম্পর্ক!

» উত্তরায় যায়যায়দিন-এর ১৪তম বর্ষ পূর্তি উদযাপন

» তুরাগ হতে কিশোর গ্যাং গ্রুপের ১১ সদস্যকে অস্ত্রসহ গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১

» তুরাগের ১৭শ পিছ ইয়াবাসহ আটক ৪

» বরুড়ার পৌর কাউন্সিলরের বাড়িতে হামলা ভাংচুর

» দশমিনা উপজেলায় সর্বপ্রথম মানবতার দেয়াল এর শুভ উদ্ভোধন

» কাজী ফজলুল হকের ৭০তম জন্মদিন পালন

আমাদের সঙ্গী হোন

যোগাযোগ

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় –

বাসা#৪৯, রোড#০৮, তুরাগ, ঢাকা।
বার্তা কক্ষ : 01781804141
ইমেইল : timesofbengali@gmail.com

 

© এ.আর খান মিডিয়া ভিশন এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান

      সর্বস্বত্ব স্বাত্বাধিকার টাইমস্ অফ বেঙ্গলী .কম

কারিগরি সহযোগিতায় এ.আর খান হোস্ট

সোমবার, ৭ই শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৪:০৪ ,

শুল্ক প্রত্যাহারের আশায় ছয় দিন ধরে চাল খালাস বন্ধ

শুল্ক প্রত্যাহার-সংক্রান্ত খবরে বেনাপোল স্থলবন্দরে চাল আমদানি ও খালাস বন্ধ রেখেছেন আমদানিকারকরা। গত ছয় দিন ধরে চাল খালাস না করে এই স্থলবন্দরের ভেতর পড়ে আছে প্রায় ৩১০টি ট্রাক।

দেশের বাজারে চালের দাম স্বাভাবিক রাখতে ও দ্রুত চালের মজুদ বাড়াতে চাল আমদানিতে পুরোপুরি শুল্ক প্রত্যাহারের বিষয়ে খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে চিঠি দেওয়া হয়। গত ৭ আগস্ট মিডিয়ায় এমন খবর প্রকাশের পর থেকেই বিন্দর থেকে চাল খালাস বন্ধ রেখেছেন আমদানিকারকরা।

চাল আমদানিতে শুল্কহার যখন ২৮ ভাগ ছিল, তখন বেনাপোল বন্দর দিয়ে চালের আমদানি প্রায় বন্ধ ছিল। গত ২০ জুন চাল আমদানিতে শুল্কহার কমিয়ে ১০ ভাগ নির্ধারণ করার পর বন্দর দিয়ে চালের আমদানি বাড়ে। বর্তমানে বন্দর দিয়ে প্রতিদিন ১০০ ট্রাক চাল আমদানি হচ্ছে।

কিন্তু গত কদিন ধরে চাল আমদানি কিংবা আমদানিকৃত চাল খালাস করছেন না আমদানিকারকরা। বেনাপোল বন্দরের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট আ. খালেক জানান, আমদানিকারকরা ট্রাকগুলো থেকে চাল খালাস না নিয়ে শুল্ক প্রত্যাহার-সংক্রান্ত খবরের বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছেন।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন জানান, দেশের বাজারে চালের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সরকার চাল আমদানিতে আরোপিত শুল্ক প্রত্যাহার করে নেবে এমন আলোচনা চলছে গত কয়েক দিন ধরে। এর ওপর গত ৭ আগস্ট সোমবার এ-সংক্রান্ত খবর পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ায় বেনাপোল বন্দরের আমদানিকারকরা ভারত থেকে আমদানিকৃত চাল খালাস করছেন না। কারণ সরকার চাল আমদানির শুল্ক প্রত্যাহার করে নিলে তারা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। বন্দরে তিন শতাধিক চালের ট্রাক আটকা পড়ে আছে।

এ ছাড়া শুল্ক প্রত্যাহারের খবরে বন্দর দিয়ে চালের আমদানি কমিয়ে দিয়েছেন আমদানিকারকরা। এর ওপর আবার গত বুধবারে চাল আমদানিতে শুল্কহার ১০ ভাগ থেকে কমিয়ে ৫ ভাগ করতে মন্ত্রিসভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে খবর প্রকাশিত হয়। কিন্তু এর কোনো কাগজপত্র বা আদেশের কপি কাস্টমসে আসেনি। এতে করে আমদানিকারকরা দ্বিধায় আছেন।

বর্তমানে চাল আমদানিতে যে ১০ ভাগ শুল্ক আরোপ রয়েছে, তাতে প্রতি কেজি চালে তিন থেকে সাড়ে তিন টাকা শুল্ক দিতে হচ্ছে। যদি এই ১০ ভাগ শুল্ক প্রত্যাহার করে নেয়া হয়, তাহলে দেশের বাজারে চালের দাম কিছুটা কমতে পারে।

বেনাপোল বন্দরের উপ-পরিচালক রেজাউল ইসলাম জানান, আগে বেনাপোল বন্দর দিয়ে গড়ে প্রতিদিন ১০০ ট্রাক চাল আমদানি হতো এবং প্রতিদিনই সেসব চাল খালাস হয়ে যেত। কিন্তু চাল আমদানিতে আরোপিত ১০ ভাগ শুল্ক প্রত্যাহার করবে সরকার এমন খবর প্রকাশের পর গত সোমবার থেকেই এই বন্দর থেকে চাল খালাস করছেন না আমদানিকারকরা।

সর্বশেষ খবর



এ বিভাগের অন্যান্য খবর



আমাদের সঙ্গী হোন

যোগাযোগ

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় –

বাসা#৪৯, রোড#০৮, তুরাগ, ঢাকা।
বার্তা কক্ষ : 01781804141
ইমেইল : timesofbengali@gmail.com

 

© এ.আর খান মিডিয়া ভিশন এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান

      সর্বস্বত্ব স্বাত্বাধিকার টাইমস্ অফ বেঙ্গলী .কম

কারিগরি সহযোগিতায় এ.আর খান হোস্ট