প্রকাশিত : Wed, May 23rd, 2018

তুরাগে প্রতারক জসিম গ্রেফতার

সি আর মামলা ৩৩/১৮ (তুরাগ) ধারা ৪২০/৪০৬/৫০৬ দঃবিঃ পেনাল কোড মামলাটি পি বি আই এর ইন্সপেক্টর রোকনুজ্জামান তদন্ত করে আদালতে চার্জশিট দিলে আদালত গত ২২/৫/১৮ খ্রিঃ তারিখ রাতে তুরাগের রোসাদিয়ার প্রতারক জসিম এর বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করলে তুরাগ থানা পুলিশ আসামী জসিমকে গ্রেফতার করে। মামলার বিবরণে জানা যায়,বিবাদি প্রতারক জসিম বাংলাদেশ অভন্ত্যারীন নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষের স্বারক নং -ডিপি -২৩/২২/৫০৭৫ তারিখ ১৫/০৬/১৭ খ্রীঃ এর মাধ্যমে ঢাকা নদী বন্দরের নিয়ন্রনাধীন রোসাদিয়া মাছিমপুর ফেরিঘাট প রোসাদিয়া ঘাট শুল্ক আদায় কেন্দ্র ২০১৭- ২০১৮ অর্থ বছরের ০১/০৬/১৭ খ্রীঃ হতে ৩০/৬/১৭ খ্রীঃ পর্যন্ত ১বছর মেয়াদে শুল্ক নির্ধারিত হারে টেন্ডারের মাধ্যমে বিবাদীকে তালতলা প্রত্যাশা ব্রীজ হতে টঙ্গী সড়ক পর্যন্ত নদীর উভয় তীরের দুই পারের ইজারা প্রদান করলে ইজারা সাবলীজ দেওয়ার নিয়ম না থাকলে ও আইন ভঙ্গ করে বাদীর কাছে তথ্য গোপন করে বাদীকে ৩০০টাকার স্ট্যাম্পে ৬ লক্ষ টাকার বিনিময়ে সাবলীজ চুক্তি করে। । আসামী জসিম জানায়, সরকারী টেন্ডারএর সাবলীজ চুক্তিনামার স্ট্যাম্পে টাকার অংক উল্লেখ করলে টেন্ডার বাতিল হয়ে যাবে। বাদী ওহাব আলী আসামী জসিমের কথায় স্ট্যাম্পে ৬ লক্ষ দেওয়ার কথা উল্লেখ করেনি।
চুক্তি অনুযায়ী বাদী ওহাব আলী তার লোকজন নিয়ে ১৫/৬/১৭ খ্রীঃ থেকে ৭/৮/১৭ খ্রীঃপর্যন্ত শুল্ক আদায় করেন। চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে আসামী জসিম টাকায় করতে নিষেধ করে হুমকি প্রদান করলে বাদী তুরাগ থানায় ১৫/৮/১৭ খ্রীঃ জিডি করেন। জিডি নং – ৬১৬।

পিবিআই এর তদন্তকারী কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর রোকনুজ্জামান ৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহন করে আসামীর সাথে হওয়া চুক্তিপত্র ষ্ট্যাম্প জব্দ করেন ও আসামীর প্রতারণার প্রমান পেলে চার্জশিট দাখিল করেন।

বাদী ওহাব আলী ও তার ছেলে জুবায়ের হোসেন, মেয়ে জামাতা নাইম শুল্ক আদায় করতে গেলে প্রতারক জসিম তুরাগ থানার ইন্সপেক্টর অপারেশন দুলাল হোসেন, এস আই জহির, ও উত্তরার সাবেক এসি উত্তরা তাপসের সহায়তায় অবৈধ যোগসাজশে গত ১২/১/১৮ খ্রীঃ তুরাগ থানায় পুলিশ কর্মকর্তা এস আই জহির বাদী হয়ে দ্রুত বিচার আইনে চাঁদাবাজী মামলা দায়ের করে। মামলা নং – ৯।
পুলিশ বাদী এই মামলায় প্রতারক জসিম সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেয় যে, বাদীর সাথে সে কোন স্ট্যাম্পে সাবলীজ চুক্তি করে নাই।

বাদীর ছেলে জুবায়ের হোসেন, মেয়ে জামাতা ছেলে জুবায়ের হোসেন, মেয়ে জামাতা নাঈমকে গ্রেফতার করে তুরাগ থানা পুলিশ সামাজিক আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত এবং হেয়প্রতিপন্ন ও মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলায় সাক্ষী হয়ে হয়রানী করে।

বাদী ওহাব আলী পরে আদালতের দারস্থ হয়ে তিনি যে, ৩০০ টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প এ নৌশুল্ক আদায়ের সাবলীজ চুক্তিনামা যে জালজালিয়াতি করে সৃজন করা হয় নাই,আসামী আইন ভঙ্গ করে তা বাদীকে আসামী জসিম সাবললীজ দিয়ে স্ট্যাম্পে সহি সাক্ষর করেছেন, এ বিষয়টি যে সত্যতা যাচাইয়ে তুরাগ থানা পুলিশের মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলাকে চ্যালেঞ্জ করে এই ১৪ নং সি আর মামলা করে।পি বি আই কর্মকর্তা আসামী জসিমের প্রতারণার প্রমান পান।

5,262 total views, 2 views today

Related Posts

Share

Comments

comments

রিপোর্টার সম্পর্কে

%d bloggers like this: