বিকাল ৫:২০ | বৃহস্পতিবার | ২৩শে মে, ২০১৯ ইং | ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

বাগেরহাটে ‘সাদা সোনা’ খ্যাত শত শত টন চিংড়ি মাছের লেনদেন

শেখ সাইফুল ইসলাম কবির: বাংলাদেশের সবচেয়ে ‘সাদা সোনা’ খ্যাত বড় চিংড়ি বিপণন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত বাগেরহাট জেলার ফকিরহাটের ফলতিতা বাজার। বাগেরহাটসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে শত শত টন মাছ আসে এখানে। প্রতিদিন এখানে লেনদেন হয় ১৪ থেকে ১৫ কোটি টাকা। মাছের ঘের মালিক, আড়তদার ও মৎস্য ব্যবসায়ীদের জমায়েতে প্রাণচঞ্চল হয়ে ওঠে এ এলাকা। ‘সাদা সোনা’ খ্যাত চিংড়ি এখানকার আড়তের প্রধান মাছ। তবে রুই, কাতলা, মৃগেল, কার্প, ট্যাংরা, পারসে, ভেটকি প্রভৃতি মাছও বিকিকিনি হয়। প্রতিদিন লক্ষ কোটি টাকার হাতবদল হয় ফকিরহাটের ফলতিতা বাজারে। মোড়েলঞ্জ, শরণখোলা, কচুয়া, রামপাল, মংলা, রূপসা, গোপালগঞ্জ, পিরোজপুর প্রভৃতি অঞ্চল থেকে খুদ্র ব্যবসায়ী ও মস্য চাষীরা মাছ সংগ্রহ করে নিয়ে আসে এখানে। এ হাট থেকে মাছ সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্রির জন্য নিয়ে যান ব্যবসায়ীরা। বিদেশে রপ্তাতি করার জন্যও এখান থেকে মাছ কেনেন রফতানি কারকরা। বাজারে মূল বিকিকিনি, হাঁকডাক চলে দুপুর ১২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত। এরপর চলে মাছ বাছাই, প্যাকেটিং, টুকটাক বেচাকেনা। বিকেল ৫টার দিকে মোকামের সিংহভাগ আড়তে কাজ বন্ধ হয়ে যায়। এমনকি এই বাজার থেকে গলদা ও বাগদা চিংড়ি ককশিটে ভরে প্যাকিং করে সরাসরি থ্যইল্যান্ড, মালয়েশিয়া প্রভৃতি দেশে রফতানি করা হয়ে থাকে। জুন, জুলাই ও অক্টোবর মাসে সবচেয়ে বেশি চিংড়ি মেলে এ হাটে। বিশাল সাইজের গলদা, বাগদা, বিভিন্ন প্রজাতির ঘেরের মাছ একসঙ্গে যারা দেখতে চান তাদের জন্য সুন্দর একটি পর্যটন ফকিরহাটের ফলতিতা  বাজার। এ আঞ্চলে চিংড়ী চাষের সুদিন শুরু হয় আশির দশকে। ওই সময়ও মানুষের অভাব ছিল অনেক বেশি। ঠিকমতো খাওয়া হতো না। কিন্তু ফলতিতায় গড়ে ওঠা মৎস্য আড়তের হাত ধরেই পরিবর্তনের সূচনা। নব্বইয়ের দশকে এসে এ আড়তের নাম ছড়িয়ে পড়ে গোটা দেশে। এখানকার মানুষের সততা, নিষ্ঠাই ঘুরিয়েছে তাদের উন্নতির চাকা।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন : Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Pin on Pinterest0

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» তুরাগে নেই খেলার মাঠ ও বিনোদন কেন্দ্র, বাধাগ্রস্থ হচ্ছে শিশুর স্বাভাবিক বিকাশ

» নিখোজ সংবাদ

» এস এসসি পরীক্ষায় উর্ত্তীর্ণ মেধাবীদের শুভেচ্ছা ও অভিন্দন

» গায়ে কেরোসিন ঢেলে ‘গৃহবধূর’ আগুনে পুড়িয়ে হত্যা

» ‘ফণী’ বাংলাদেশে ৬ ঘণ্টা অবস্থান করবে

» বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল অতিক্রম করছে ফণী

» উত্তরায় বাসার ছাদ থেকে ২ গৃহকর্মীর লাশ উদ্ধার

» বাংলাদেশে মহান মে দিবসের গুরুত্ব

» আশুলিয়া কাঠগড়ায় স্বামীকে আটকে স্ত্রীকে গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৪

» আজ মহান মে দিবস

» এসব কারণে স্ট্রোক হতে পারে!

» যে বিমান অনির্দিষ্টকাল উড়বে আকাশে!

» তুরাগে ৫৩৬ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার,আটক-৩

» নব গঠিত ৫৩ নং ওর্য়াড তুরাগের অনেক রাস্তা যেন কাদামাটির খাল

» জনপ্রিতিনিধিদের সংবর্ধণা দিবে উত্তরা প্রেসক্লাব সোসাইটি

আমাদের সঙ্গী হোন

যোগাযোগ

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় –

বাসা#৪৯, রোড#০৮, তুরাগ, ঢাকা।
বার্তা কক্ষ : 01781804141
ইমেইল : timesofbengali@gmail.com

 

© এ.আর খান মিডিয়া ভিশন এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান

      সর্বস্বত্ব স্বাত্বাধিকার টাইমস্ অফ বেঙ্গলী .কম

কারিগরি সহযোগিতায় এ.আর খান হোস্ট

,

Times of Bengali

বাগেরহাটে ‘সাদা সোনা’ খ্যাত শত শত টন চিংড়ি মাছের লেনদেন

শেখ সাইফুল ইসলাম কবির: বাংলাদেশের সবচেয়ে ‘সাদা সোনা’ খ্যাত বড় চিংড়ি বিপণন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত বাগেরহাট জেলার ফকিরহাটের ফলতিতা বাজার। বাগেরহাটসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে শত শত টন মাছ আসে এখানে। প্রতিদিন এখানে লেনদেন হয় ১৪ থেকে ১৫ কোটি টাকা। মাছের ঘের মালিক, আড়তদার ও মৎস্য ব্যবসায়ীদের জমায়েতে প্রাণচঞ্চল হয়ে ওঠে এ এলাকা। ‘সাদা সোনা’ খ্যাত চিংড়ি এখানকার আড়তের প্রধান মাছ। তবে রুই, কাতলা, মৃগেল, কার্প, ট্যাংরা, পারসে, ভেটকি প্রভৃতি মাছও বিকিকিনি হয়। প্রতিদিন লক্ষ কোটি টাকার হাতবদল হয় ফকিরহাটের ফলতিতা বাজারে। মোড়েলঞ্জ, শরণখোলা, কচুয়া, রামপাল, মংলা, রূপসা, গোপালগঞ্জ, পিরোজপুর প্রভৃতি অঞ্চল থেকে খুদ্র ব্যবসায়ী ও মস্য চাষীরা মাছ সংগ্রহ করে নিয়ে আসে এখানে। এ হাট থেকে মাছ সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্রির জন্য নিয়ে যান ব্যবসায়ীরা। বিদেশে রপ্তাতি করার জন্যও এখান থেকে মাছ কেনেন রফতানি কারকরা। বাজারে মূল বিকিকিনি, হাঁকডাক চলে দুপুর ১২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত। এরপর চলে মাছ বাছাই, প্যাকেটিং, টুকটাক বেচাকেনা। বিকেল ৫টার দিকে মোকামের সিংহভাগ আড়তে কাজ বন্ধ হয়ে যায়। এমনকি এই বাজার থেকে গলদা ও বাগদা চিংড়ি ককশিটে ভরে প্যাকিং করে সরাসরি থ্যইল্যান্ড, মালয়েশিয়া প্রভৃতি দেশে রফতানি করা হয়ে থাকে। জুন, জুলাই ও অক্টোবর মাসে সবচেয়ে বেশি চিংড়ি মেলে এ হাটে। বিশাল সাইজের গলদা, বাগদা, বিভিন্ন প্রজাতির ঘেরের মাছ একসঙ্গে যারা দেখতে চান তাদের জন্য সুন্দর একটি পর্যটন ফকিরহাটের ফলতিতা  বাজার। এ আঞ্চলে চিংড়ী চাষের সুদিন শুরু হয় আশির দশকে। ওই সময়ও মানুষের অভাব ছিল অনেক বেশি। ঠিকমতো খাওয়া হতো না। কিন্তু ফলতিতায় গড়ে ওঠা মৎস্য আড়তের হাত ধরেই পরিবর্তনের সূচনা। নব্বইয়ের দশকে এসে এ আড়তের নাম ছড়িয়ে পড়ে গোটা দেশে। এখানকার মানুষের সততা, নিষ্ঠাই ঘুরিয়েছে তাদের উন্নতির চাকা।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন : Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Pin on Pinterest0

সর্বশেষ খবর



এ বিভাগের অন্যান্য খবর



আমাদের সঙ্গী হোন

যোগাযোগ

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় –

বাসা#৪৯, রোড#০৮, তুরাগ, ঢাকা।
বার্তা কক্ষ : 01781804141
ইমেইল : timesofbengali@gmail.com

 

© এ.আর খান মিডিয়া ভিশন এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান

      সর্বস্বত্ব স্বাত্বাধিকার টাইমস্ অফ বেঙ্গলী .কম

কারিগরি সহযোগিতায় এ.আর খান হোস্ট