রাত ৮:২৮ | সোমবার | ১৪ই অক্টোবর, ২০১৯ ইং | ২৯শে আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

জেনে নিন, ডোমেইন পার্কং কি? এটা কি বিক্রয়যোগ্য? কোথায় এবং কিভাবে ডোমেইন পার্ক থেকে আয় করা যায়?

ডোমেইন পার্কং কি?

ডোমেইন পার্ক হলো ধরুন আপনি খুব ভালো নামের একটি ডোমেইন কিনে রেখেছেন যার চাহিদা হয়তো ভবিষ্যৎএ খুব বাড়তে পারে সেটাকে বিক্রীর জন্য কোন সাইটে রাখা তাই হচ্ছে ডোমেইন পার্কিং। যেমন ধরুন ওয়াল্ডর্কাপ ২০১১ বা আইপিএল ২০১২ এরকম বিভিন্ন ইভেন্টের ডেমোইন আগেই কিনে রাখলেন পরে তারা যখন ওই ডোমেইন খুজবে না পেয়ে আপনার ডোমেইনটি কিনতে চাইলেই আপনার পোয়াবারো বিশাল দামে বিক্রী করতে পারবেন অনয়াসেই। আর যদি বিক্রি না হয় তবে যে আপনার খুব বেশি ক্ষতি হবে তা কিন্তু নয়। কেননা আপনার ডোমেইনে যে এ্যাড প্রদর্শিত হবে তা থেকেই উঠে আসবে আপনার বার্ষিক ডোমেইন রি-নিউ খরচ। তবে এজন্য কিন্তু আপনাকে কম হলেও কিছুটা এসইও জানতে হবে। ডোমেইন পার্কের জন্য পরিচিত একটি প্লাটফর্ম হচ্ছে গুগল। যেটি দেখতে পাবেন গুগল এ্যাডসেন্সে লগইন করার পরে। কিন্তু বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় সাইট হচ্ছে – http://goo.gl/zAA55 । প্রতি বছর প্রচুর পরিমান ডোমেইন বিক্রি হয়ে থাকে এ সাইট থেকে।

কোথায় করবেন পার্ক?

ডোমেইন পার্ক করার জন্য সবচেয়ে ভাল হল Sedo.com এবং এখানে বিক্রীর সুযোগও সর্বাপেক্ষা বেশী। তাই আমার মতে ডোমেইন পার্ক করতে চাইলে প্রথম পছন্দ হওয়া উচিত অবশ্যই সেডো। অবশ্য গুগল এডসেন্সও ডোমেইন পার্ক করতে পারেন। ## কিভাবে করবেন পার্ক সেডোতে পার্ক করার জন্য প্রথমেই রেজিষ্ট্রশন করুন। এরপর পার্ক ডোমেইন ট্যাব থেকে ডোমেইন লিস্টেড করলেই হবে। তবে এখানে একটু জটিলতা আছে তা হল তাদের এগ্রিমেন্ট ডাউনলোড করে তাতে আপনার স্বাক্ষর দিয়ে তা আবার তাদের মেইল করতে হবে তারপরই আপনার একাউন্ট থেকে পার্ক করা যাবে। ## কিভাবে হবে আয়? আপনারা যদি পার্ক করা ডোমেইন www.worldcup-t20.com টি দেখে থাকেন তবে অবশ্যই খেয়াল করবেন ওখানে কোন কনটেন্ট নেই আছে বিভিন্ন স্পন্সর লিংক যেহেতু মূল জায়গা গুলোতেই স্পন্সর লিংক তাই স্বাভাবিকভাবেই ক্লিকের পরিমান বেশী হবে। আর আমার ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি এখানে ক্লিক প্রতি আয়ও খারাপ না। আর আপনার ডোমেইনটি পার্ক করার সাথে সাথে যদি বিক্রীর জন্যও রেখে থাকেন তবে তা যেমন মার্কেটপ্লেসে দেখাবে তেমনি তা আপনার সাইটের পেজেও দেখাবে যে এটি বিক্রীর জন্য আছে অবশ্য সেডোর মার্কেট প্লেস থেকেই বিক্রী হয় বেশী। তবে সমস্যা যেটি তা হল আপনার আয় ২৫০ ইউরো না হলে আপনি তুলতে পারবেন না যা ডোমেইন বিক্রী না হলে হতে একটু সময়ই লাগে যদি আপনার ডোমেইনটি জনপ্রিয় না হয়। অবশ্য বিক্রী হলে কিন্তু এক তুড়িতেই এই অংক ছাড়িয়ে যাবার ঢের সম্ভাবনা রয়েছে। তাই পার্ক করলে বিক্রীর চিন্তায়ই করা উচিত। ## কোথা হতে আসে এই অর্থ? ডোমেইন অনেকেই পার্ক করে তার মধ্য কেউ কেউ তাদের ডোমেইনকে দ্রুত বিক্রীর জন্য পার্ক করা অন্য ডোমেইন গুলোর পেজে এড দেয়ার জন্য অর্থ প্রদান করে কতৃপক্ষকে। যেই স্পন্সর লিংকগুলোই শো করে পার্ক করা ডোমেইন এর পেজে। ## কিভাবে হাতে পাবেন টাকা? অনেকেই বলবেন যে আয় তো হলো কিন্তু টাকা পাবেন কিভাবে? এটাও খুব ইজি কারন সেডো থেকে টাকা পেপাল ছাড়া ব্যাংক একাউন্টে সরাসরি ট্রান্সফার করা যায়। তাই কোন ঝামেলা ছাড়াই দ্রুত টাকা হাতে পেয়ে যাবেন যদি আয় করতে পারেন।

পার্ক ডোমেইন এর সুবিধা কি কি?

ভালো ডোমেইন নিয়ে যদি পার্ক করেন তাহলে অবশ্যই সেটি ভালো দামে বিক্রি হবে। এ ক্ষেত্রে একটি উদাহরণ দেয়া যেতে পারে। মাত্র ১০ ডলারে কেনা www.unipaybank.com ৭ লাখ ডলারে বিক্রি হয়েছিল। বারাক ওবামার নামে কেনা একটি ডোমেইন এখন পর্যন্ত ২১ লাখ ডলার দাম উঠেছে। শুধুই কি বড় দামের আশায় ডোমেইন পার্ক করবেন? না, কারণ বড় দামের আশায় ডোমেইন পার্ক করলে কবে প্রত্যাশিত দাম পাবেন তা বলা দুরূহ। যদি আপনি কয়েক শ ডলারে ডোমেইন বিক্রির চিন্তা করেন তাহলে খুব সহজেই এর ক্রেতা পাবেন। কারণ একটি ডোমেইনের দাম মাত্র ৭৫০ টাকা বা ১০ ডলার। এখন আপনার মধ্যে প্রশ্ন আসতে পারে ১০ ডলারে কেনা একটি ডোমেইন কেনার পর যদি বিক্রি করতে না পারেন তাহলে প্রতিবছর ডোমেইন রিনিউ করতে হবে, এতে ক্ষতি হবার সম্ভাবনা আছে। ক্ষতি হবার কোনো কারণ নেই, আপনি যে ওয়েবসাইটে ডোমেইনটি পার্ক করবেন সেখান থেকে আপনার কম হলেও ডোমেইন রিনিউ করার ফি উঠে আসবে। আরেকটি লাভ হবে সেটি হলো : আপনার ডোমেইনের ট্রাফিক বৃদ্ধি পাবে, যেটি ডোমেইন বিক্রি হবার অন্যতম কারণ।

পার্ক ডোমেইন এর অসুবিধা কিকি?

অনেকে ডোমেইন পার্কিং ব্যবসা শুরুর পর পরই অভিযোগ করে, খুব বেশি লাভ তো হচ্ছে না। তাদের জন্য জানা জরুরি, আপনি হয়ত মাসে ৫০,০০০ ডলার শুধু ডোমেইন পার্কিং থেকে আয় করতে পারবেন না। কিন্তু একটি ডোমেইন বিক্রি করে এর চেয়ে বেশিও আয় করা সম্ভব। এর জন্য প্রয়োজন ধৈর্য। ডোমেইন পার্কিং ব্যবসাকে রিস্ক ফ্রি বলা হয়, কেননা এক বছর যে কোম্পানিতেই ডোমেইন পার্কিংয়ে থাকুক না কেন, তাতে বছরে কিছু না হলেও রিনিউ এর টাকা উঠে আসে।

ডোমেইন পার্কিং ব্যবসা সম্পর্কে ন্যূনতম না জেনেই অনেকে শুরু করেছে এ ব্যবসা। সে ক্ষেত্রে ভুল নাম নির্বাচনের মাধ্যমে কোনো লাভের মুখ দেখছে না। এ ছাড়াও পার্কিংয়ের মাধ্যমে আয় করার প্রযুক্তিটা সম্পর্কে ধারণা না থাকার ফলে শুধু ডোমেইনই কিনে যাচ্ছে। ফলে প্রতি বছর রিনিউয়ের সময় গুনতে হচ্ছে বড় অঙ্কের টাকা। তাই পুরো পদ্ধতিটার সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা নিয়ে তারপর শুরু করা উচিত এ ব্যবসা। আশা করি উপরোক্ত বিষয়টি জানার পর একটু হলেও এ পদ্ধতি পরিষ্কার হয়েছে।

সংগ্রহ ইন্টারনেট থেকে

 

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» আবরার হত্যা – বুয়েট ছাত্র মোয়াজ উত্তরা থেকে গ্রেফতার

» বেস্ট ইলেভেন একাডেমির জার্সি উম্মোচন

» পাবনার সুজানগরে ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দি

» মালয়েশিয়ার সেরা তরুণ উদ্যোক্তার তালিকায় স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশী মোহাম্মদ ইয়াসিন

» আসছে  ইরফান ও নাদীয়ার নতুন নাটক  “সিনবাদ”

» দিয়াবাড়ির কাঁশফুল যেন শীতের আগমন বার্তা

» আইন শৃঙ্খলা বাহিনী তথ্য উপাত্ত নিয়েই ধরছেন -যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী

» যুবলীগের সমবায় বিষয়ক সম্পাদক জি কে শামীম গ্রেফতার

» উত্তরা যুবলীগ পদ প্রার্থীদের মধ্যে এগিয়ে যারা

» উত্তরায় তৃতীয় দিনের উচ্ছেদে ভাঙ্গাহলো বহুতল ভবন…

» অবশেষে দখল মুক্ত হলো উত্তরা আব্দুল্লাহপুরের পাউবোর জমি

» উত্তরায় জব্দবৃতক ইয়াবা বন্টনকালে ৫ পুলিশ সদস্য আটক

» উত্তরায় রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত

» জেনে নিন, ডোমেইন নেম নিয়ে কিছু প্রশ্ন এবং তার উত্তর

» জেনে নিন, ডোমেইন পার্ক নিয়ে কিছু প্রশ্ন এবং উত্তর

আমাদের সঙ্গী হোন

যোগাযোগ

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় –

বাসা#৪৯, রোড#০৮, তুরাগ, ঢাকা।
বার্তা কক্ষ : 01781804141
ইমেইল : timesofbengali@gmail.com

 

© এ.আর খান মিডিয়া ভিশন এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান

      সর্বস্বত্ব স্বাত্বাধিকার টাইমস্ অফ বেঙ্গলী .কম

কারিগরি সহযোগিতায় এ.আর খান হোস্ট

সোমবার, ২৯শে আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, রাত ৮:২৮ ,

জেনে নিন, ডোমেইন পার্কং কি? এটা কি বিক্রয়যোগ্য? কোথায় এবং কিভাবে ডোমেইন পার্ক থেকে আয় করা যায়?

ডোমেইন পার্কং কি?

ডোমেইন পার্ক হলো ধরুন আপনি খুব ভালো নামের একটি ডোমেইন কিনে রেখেছেন যার চাহিদা হয়তো ভবিষ্যৎএ খুব বাড়তে পারে সেটাকে বিক্রীর জন্য কোন সাইটে রাখা তাই হচ্ছে ডোমেইন পার্কিং। যেমন ধরুন ওয়াল্ডর্কাপ ২০১১ বা আইপিএল ২০১২ এরকম বিভিন্ন ইভেন্টের ডেমোইন আগেই কিনে রাখলেন পরে তারা যখন ওই ডোমেইন খুজবে না পেয়ে আপনার ডোমেইনটি কিনতে চাইলেই আপনার পোয়াবারো বিশাল দামে বিক্রী করতে পারবেন অনয়াসেই। আর যদি বিক্রি না হয় তবে যে আপনার খুব বেশি ক্ষতি হবে তা কিন্তু নয়। কেননা আপনার ডোমেইনে যে এ্যাড প্রদর্শিত হবে তা থেকেই উঠে আসবে আপনার বার্ষিক ডোমেইন রি-নিউ খরচ। তবে এজন্য কিন্তু আপনাকে কম হলেও কিছুটা এসইও জানতে হবে। ডোমেইন পার্কের জন্য পরিচিত একটি প্লাটফর্ম হচ্ছে গুগল। যেটি দেখতে পাবেন গুগল এ্যাডসেন্সে লগইন করার পরে। কিন্তু বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় সাইট হচ্ছে – http://goo.gl/zAA55 । প্রতি বছর প্রচুর পরিমান ডোমেইন বিক্রি হয়ে থাকে এ সাইট থেকে।

কোথায় করবেন পার্ক?

ডোমেইন পার্ক করার জন্য সবচেয়ে ভাল হল Sedo.com এবং এখানে বিক্রীর সুযোগও সর্বাপেক্ষা বেশী। তাই আমার মতে ডোমেইন পার্ক করতে চাইলে প্রথম পছন্দ হওয়া উচিত অবশ্যই সেডো। অবশ্য গুগল এডসেন্সও ডোমেইন পার্ক করতে পারেন। ## কিভাবে করবেন পার্ক সেডোতে পার্ক করার জন্য প্রথমেই রেজিষ্ট্রশন করুন। এরপর পার্ক ডোমেইন ট্যাব থেকে ডোমেইন লিস্টেড করলেই হবে। তবে এখানে একটু জটিলতা আছে তা হল তাদের এগ্রিমেন্ট ডাউনলোড করে তাতে আপনার স্বাক্ষর দিয়ে তা আবার তাদের মেইল করতে হবে তারপরই আপনার একাউন্ট থেকে পার্ক করা যাবে। ## কিভাবে হবে আয়? আপনারা যদি পার্ক করা ডোমেইন www.worldcup-t20.com টি দেখে থাকেন তবে অবশ্যই খেয়াল করবেন ওখানে কোন কনটেন্ট নেই আছে বিভিন্ন স্পন্সর লিংক যেহেতু মূল জায়গা গুলোতেই স্পন্সর লিংক তাই স্বাভাবিকভাবেই ক্লিকের পরিমান বেশী হবে। আর আমার ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি এখানে ক্লিক প্রতি আয়ও খারাপ না। আর আপনার ডোমেইনটি পার্ক করার সাথে সাথে যদি বিক্রীর জন্যও রেখে থাকেন তবে তা যেমন মার্কেটপ্লেসে দেখাবে তেমনি তা আপনার সাইটের পেজেও দেখাবে যে এটি বিক্রীর জন্য আছে অবশ্য সেডোর মার্কেট প্লেস থেকেই বিক্রী হয় বেশী। তবে সমস্যা যেটি তা হল আপনার আয় ২৫০ ইউরো না হলে আপনি তুলতে পারবেন না যা ডোমেইন বিক্রী না হলে হতে একটু সময়ই লাগে যদি আপনার ডোমেইনটি জনপ্রিয় না হয়। অবশ্য বিক্রী হলে কিন্তু এক তুড়িতেই এই অংক ছাড়িয়ে যাবার ঢের সম্ভাবনা রয়েছে। তাই পার্ক করলে বিক্রীর চিন্তায়ই করা উচিত। ## কোথা হতে আসে এই অর্থ? ডোমেইন অনেকেই পার্ক করে তার মধ্য কেউ কেউ তাদের ডোমেইনকে দ্রুত বিক্রীর জন্য পার্ক করা অন্য ডোমেইন গুলোর পেজে এড দেয়ার জন্য অর্থ প্রদান করে কতৃপক্ষকে। যেই স্পন্সর লিংকগুলোই শো করে পার্ক করা ডোমেইন এর পেজে। ## কিভাবে হাতে পাবেন টাকা? অনেকেই বলবেন যে আয় তো হলো কিন্তু টাকা পাবেন কিভাবে? এটাও খুব ইজি কারন সেডো থেকে টাকা পেপাল ছাড়া ব্যাংক একাউন্টে সরাসরি ট্রান্সফার করা যায়। তাই কোন ঝামেলা ছাড়াই দ্রুত টাকা হাতে পেয়ে যাবেন যদি আয় করতে পারেন।

পার্ক ডোমেইন এর সুবিধা কি কি?

ভালো ডোমেইন নিয়ে যদি পার্ক করেন তাহলে অবশ্যই সেটি ভালো দামে বিক্রি হবে। এ ক্ষেত্রে একটি উদাহরণ দেয়া যেতে পারে। মাত্র ১০ ডলারে কেনা www.unipaybank.com ৭ লাখ ডলারে বিক্রি হয়েছিল। বারাক ওবামার নামে কেনা একটি ডোমেইন এখন পর্যন্ত ২১ লাখ ডলার দাম উঠেছে। শুধুই কি বড় দামের আশায় ডোমেইন পার্ক করবেন? না, কারণ বড় দামের আশায় ডোমেইন পার্ক করলে কবে প্রত্যাশিত দাম পাবেন তা বলা দুরূহ। যদি আপনি কয়েক শ ডলারে ডোমেইন বিক্রির চিন্তা করেন তাহলে খুব সহজেই এর ক্রেতা পাবেন। কারণ একটি ডোমেইনের দাম মাত্র ৭৫০ টাকা বা ১০ ডলার। এখন আপনার মধ্যে প্রশ্ন আসতে পারে ১০ ডলারে কেনা একটি ডোমেইন কেনার পর যদি বিক্রি করতে না পারেন তাহলে প্রতিবছর ডোমেইন রিনিউ করতে হবে, এতে ক্ষতি হবার সম্ভাবনা আছে। ক্ষতি হবার কোনো কারণ নেই, আপনি যে ওয়েবসাইটে ডোমেইনটি পার্ক করবেন সেখান থেকে আপনার কম হলেও ডোমেইন রিনিউ করার ফি উঠে আসবে। আরেকটি লাভ হবে সেটি হলো : আপনার ডোমেইনের ট্রাফিক বৃদ্ধি পাবে, যেটি ডোমেইন বিক্রি হবার অন্যতম কারণ।

পার্ক ডোমেইন এর অসুবিধা কিকি?

অনেকে ডোমেইন পার্কিং ব্যবসা শুরুর পর পরই অভিযোগ করে, খুব বেশি লাভ তো হচ্ছে না। তাদের জন্য জানা জরুরি, আপনি হয়ত মাসে ৫০,০০০ ডলার শুধু ডোমেইন পার্কিং থেকে আয় করতে পারবেন না। কিন্তু একটি ডোমেইন বিক্রি করে এর চেয়ে বেশিও আয় করা সম্ভব। এর জন্য প্রয়োজন ধৈর্য। ডোমেইন পার্কিং ব্যবসাকে রিস্ক ফ্রি বলা হয়, কেননা এক বছর যে কোম্পানিতেই ডোমেইন পার্কিংয়ে থাকুক না কেন, তাতে বছরে কিছু না হলেও রিনিউ এর টাকা উঠে আসে।

ডোমেইন পার্কিং ব্যবসা সম্পর্কে ন্যূনতম না জেনেই অনেকে শুরু করেছে এ ব্যবসা। সে ক্ষেত্রে ভুল নাম নির্বাচনের মাধ্যমে কোনো লাভের মুখ দেখছে না। এ ছাড়াও পার্কিংয়ের মাধ্যমে আয় করার প্রযুক্তিটা সম্পর্কে ধারণা না থাকার ফলে শুধু ডোমেইনই কিনে যাচ্ছে। ফলে প্রতি বছর রিনিউয়ের সময় গুনতে হচ্ছে বড় অঙ্কের টাকা। তাই পুরো পদ্ধতিটার সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা নিয়ে তারপর শুরু করা উচিত এ ব্যবসা। আশা করি উপরোক্ত বিষয়টি জানার পর একটু হলেও এ পদ্ধতি পরিষ্কার হয়েছে।

সংগ্রহ ইন্টারনেট থেকে

 

সর্বশেষ খবর



এ বিভাগের অন্যান্য খবর



আমাদের সঙ্গী হোন

যোগাযোগ

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় –

বাসা#৪৯, রোড#০৮, তুরাগ, ঢাকা।
বার্তা কক্ষ : 01781804141
ইমেইল : timesofbengali@gmail.com

 

© এ.আর খান মিডিয়া ভিশন এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান

      সর্বস্বত্ব স্বাত্বাধিকার টাইমস্ অফ বেঙ্গলী .কম

কারিগরি সহযোগিতায় এ.আর খান হোস্ট